পুতুল নাচের ইতিকথা
পুতুল নাচের ইতিকথা
ঔপন্যাসিক: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উপন্যাসটি মূলত গ্রামজীবনের।নায়ক শশী গ্রামেরই ছেলে কলকাতা থেকে ডাক্তারি ডিগ্রি নিয়ে গ্রামে ফিরে এসেছে।এই গ্রামীণ পটভূমিতে বহু বিচিত্র নরনারীর জীবন-অভিজ্ঞতার কেন্দ্রে দাড়িয়ে আছে নায়ক শশী।নৌকায় করে সন্ধ্যার আবছা আলোয় শশী শহর থেকে গ্রামে ফিরছিল।তার নৌকার মাঝির নাম গোবর্ধন। নৌকায় বসে সে দেখতে পায় খালের ধারে মানুষ্যবর্জিত স্থানে ভূতের মতো একটা লোক দেখা যাচ্ছে। সে মনে মনে ভাবে পাগল ছাড়া এসময় কেউ সাপের রাজ্যে ওভাবে দাড়িয়ে থাকে। তখন তার কৌতূহল হয় এবং সে কাছে গিয়ে লোকটিকে দেখে সে চিনতে পারে। সে তার নৌকার মাঝিকে বলে ওঠে ওরে গোবর্ধন, এ তো আমাদের হারু!হারু ইতিমধ্যে মারা গেছে।
হারুকে সে তার নৌকায় তুলে গ্রামে নিয়ে আসে এবং দাফন করে। এরপর দেখে হারুর পরিবারের সকল দায়িত্ব শশী নিজে নেয়। যদিও সে তার দায়িত্বটা সঠিকভাবে পালন করতে পারে নি কোন কাজে। তবুও হারুর ছেলে পরান তার বোন মতির বিয়ের কথা হলেই শশীর সাথে পরামর্শ করে। শশী যেখানে মত দেয় সেখানেই বোনকে বিয়ে দেয়। শশীর বন্ধু কুমুদের সাথে মতির বিয়ে হয়। কুমুদ ছিল যাত্রাদলের সং। যার ছিল না কোন বাড়িঘর ভবঘুরে ছিল। বিয়ে করে মতিকে নিয়ে চলে যায় অনেক দূর কোথায় যায় কাউকে বলে যায় না।
No comments